শিরোনাম :
দেশকে ‘নব্য রাজাকার’মুক্ত করার হুঁশিয়ারি আ.লীগ নেতাদের বৃহস্পতিবার সারাদেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের আর কখনো পাঠদান করব না: সহকারী অধ্যাপক উম্মে ফারহানা আলিপুরে পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ দেবহাটার সরকারি কেবিএ কলেজ ও সোনালী ব্যাংক পিএলসি’র চুক্তি স্বাক্ষর রড-কুড়াল নিয়ে ঢামেকে ঢুকে আহত আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা দেবহাটায় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ বিষয়ক সভা ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক পুনঃনির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন কোটাবিরোধীদের হটাতে পুলিশের অ্যাকশন শুরু, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ আন্দোলনকারীদের হটিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দখলে

ক্ষতি সব বাংলাদেশের আর সুবিধা ভারতের, এ ব্যাপারে ভাবার সময় এসেছে: সুলতানা কামাল

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৫ অক্টোবর, ২০১৯
  • ১৩০

সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক অ্যাড. সুলতানা কামাল বলেছেন, স্বাধীনতার আগে সব সুযোগ-সুবিধা নিত পশ্চিম পাকিস্তান। আর পূর্ব পাকিস্তান শোষণ হতো। পূর্ব পাকিস্তানেই সব ক্ষতিকর প্রকল্প করা হতো। একইভাবে ভারত বাংলাদেশে যৌথভাবে সব ক্ষতিকর প্রকল্প করছে। আর সমস্ত সুযোগ-সুবিধা নিয়ে যাবে। এ ব্যাপারে ভাবনার সময় এসে গেছে।

শনিবার (৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীতে ‘ইউনেস্কোর ৪৩তম সভার সকল সুপারিশ বাস্তবায়ন, সুন্দরবানের পাশে রামপালসহ সকল শিল্প নির্মাণ প্রক্রিয়া বন্ধ ও সমগ্র দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৌশলগত পরিবেশ সমীক্ষা সম্পন্ন’ করার দাবিতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটি সংবাদ সম্মেলনটির আয়োজন করে।

সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক বলেন, রামপালের প্রকল্প নির্মাতা ভারতীয় কোম্পানি এনটিপিসি। কোম্পানিটি ভারতে সব কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থগিত করেছে। কারণ তারা তাদের কার্বন দায় কমাতে চায়। এর পরিবর্তে তারা গুজরাটে বিশ্বের বৃহত্তম সৌর শক্তি পার্ক স্থাপনের পরিকল্পনা করেছে। এর জন্য ২৫ হাজার কোপি রুপি বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা কয়েকটি রাজ্যের কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র অর্ধদিবস বন্ধ রাখার কথাও জানিয়েছে। অথচ ওই একই প্রতিষ্ঠান প্রবল গণআপত্তির মুখেও বাংলাদেশে কয়লা বিদ্যুৎ তৈরিতে পিছপা হচ্ছে না। এটি নিঃসন্দেহে একটি দায়িত্বজ্ঞানহীন ডাবল স্ট্যান্ডার্ড আচরণ।

সুলতানা কামাল বলেন, ভারতবিরোধী কোনো কথা বলছি না। স্বাধীনতার যুদ্ধের সময় ভারত আমাদের পাশে না দাঁড়ালে আমরা মুক্তিযুদ্ধটা যেভাবে শেষ করতে পেরেছি সেভাবে হয়তো পারতাম না। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে এটা স্মরণ করি। আমি এ জন্য অবশ্যই ভারতের প্রতি কৃতজ্ঞ। কিন্তু আজকে বাংলাদেশকে একটা বাজারে কিংবা তাদের শিল্প কারখানার জায়গা বানিয়ে নিজেরা সব সুযোগ সুবিধা নিয়ে নেবে, এ বিষয়ে আমাদের এখন ভাবতে হবে।

এ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য রুহিন হোসেন প্রিন্স, ওয়াটার কিপারস বাংলাদেশের সমন্বয়কারী ও বাপার যুগ্ম সম্পাদক শরীফ জামিল, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সাধারণ সম্পাদক ড. মো. আব্দুল মতিন প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০২১
Design and Developed by IT Craft in association with INTENT