শিরোনাম :
লিটারে ৪ টাকা বেড়েছে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বিএনপি নির্বাচন ও গণতন্ত্রবিরোধী অবস্থান নিয়েছে: কাদের গরমে বারবার গোসল করছেন? জেনি নিন কী হচ্ছে শরীরের বাংলাদেশে বিক্রি করা নেসলের শিশুখাদ্য সেরেলাক নিয়ে ভয়ংকর তথ্য শুক্রবার শিল্পী সমিতির নির্বাচন, কার বিপক্ষে কে লড়ছেন বিএনপির চিন্তাধারা ছিল অন্যের কাছে হাত পেতে চলবো: প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমারে বিদ্রোহী-নিয়ন্ত্রিত শহরে কোণঠাসা জান্তা আইপিএল থেকে ডাক পেয়েও যে কারণে যেতে পারেননি শরিফুল সুন্দরবন সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী ও স্থানীয় সুধী সমাজের সাথে জনসচেতনতা মূলক মতবিনিময় ১১০০ কোটি টাকার প্রকল্পে কলা-রুটি বাবদ ব্যয় হবে ৪৫০ কোটি

ঘুষখোরদের ভিক্ষুকের সাথে তুলনা করলেন দুদক চেয়ার‌ম্যান

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর, ২০১৯
  • ১৫০

যারা ঘুষ খায় তাদের সঙ্গে ভিক্ষুকদের তুলনা করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। একই সঙ্গে ঘুষ খেয়ে বিষয়টা গোপন রাখা যাবে এমনটা ভাবাও বোকামি বলে মনে করেন দুদকের চেয়ারম্যান।

মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে কমিশনের উপ-পরিচালক থেকে উপ-সহকারী পরিচালক পদমর্যাদার ত্রিশজন কর্মকর্তার অফিস শৃঙ্খলা, অফিসের নিরাপত্তা, কাজের গোপনীয়তা ও অফিশিয়াল আচরণ সংক্রান্ত এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি এসব কথা জানান।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, যারা মনে করেন ঘুষ খেলে কেউ জানবে না, তারা বোকার স্বর্গে বাস করেন। ঘুষখোরদের কোনো আত্মমর্যাদা থাকে না। ঘুষ খাওয়া এবং ভিক্ষাবৃত্তির মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।

তিনি বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনকে একটি স্মার্ট প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হলে কর্মকর্তাদের প্রতিটি কাজ হতে হবে সুনির্দিষ্ট, পরিমাপযোগ্য, অর্জনযোগ্য, প্রাসঙ্গিক ও সময়াবদ্ধ। এর বিচ্যুতি ঘটলে কমিশনকে যোগ্য মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করা কঠিন।

তিনি আরও বলেন, কর্মকর্তাদের কর্মে এ বিষয়গুলোর প্রতিফলন থাকতে হবে। তাই আপনাদের আচার-আচরণ এবং কর্ম সম্পাদনে সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির কোনো বিকল্প নেই।

ইকবাল মাহমুদ বলেন, নিজে পরিবর্তন না হলে, পরিণত মানুষের মানসিকতা পরিবর্তন করা প্রায় অসম্ভব। তাই প্রতিষ্ঠানের স্বার্থেই নিজেকে নিজেই পরিবর্তন করুন। কমিশনের প্রতিটি কার্যক্রম টিমওয়ার্ক সংশ্লিষ্ট। তাই কর্মকর্তাদের পারস্পরিক সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক রাখতে হবে। তবে সবাইকে অফিস ডেকোরামও মানতে হবে। অভ্যন্তরীণ সর্বোচ্চ শৃঙ্খলা রক্ষা করা অফিশিয়াল আচরণের অন্যতম ভিত্তি।

তিনি বলেন, কমিশনের অনুসন্ধান ও তদন্তের তথ্য ব্যবস্থাপনায় এমন কোনো সুযোগ রাখা সমীচীন হবে না, যাতে অপরাধীরা কমিশনের নথির গতিবিধি এবং আগাম তথ্য জানতে পারে। এভাবে কমিশনের তথ্য পাচার অফিস শৃঙ্খলা পরিপন্থি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০২১
Design and Developed by IT Craft in association with INTENT