শিরোনাম :
স্বর্ণ ছিনতাইয়ের নেতৃত্বে র‍্যাব কর্মকর্তা, গোয়ালঘরের মাটি খুঁড়ে ৪৮ ভরি উদ্ধার কওমি মাদ্রাসায় ছাত্রলীগকে সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর সাতক্ষীরায় ‘জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও সংকট সমাধানের উপায়’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপ দেবহাটায় বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল দেবহাটায় ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে ঢেউটিন বিতরণ ইসরায়েলের সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে দফায় দফায় রকেট হামলা বিচারের আগেই কেন লোহার খাঁচায় দাঁড়াতে হবে: ড. ইউনূস দেবহাটায় দুর্নীতি প্রতিরোধ ও সচেতনতা বিষয়ক র‌্যালি দেবহাটায় প্রধান শিক্ষকদের লিডারশীপ প্রশিক্ষণ ১৫২ কোটি টাকা সুদ মওকুফ: সাবেক ভ্যাট কমিশনারের বিরুদ্ধে মামলা

দুর্নীতি নিয়ে প্রশ্ন তোলার অধিকার বিএনপির নেই-তথ্যমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ১৪৬
নির্বাচন এলে অভিযোগের বাক্স খোলে বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী
তথ্যমন্ত্রী হাসান মাহমুদ। (ফাইল ছবি)

বিএনপির কঠোর সমালোচনা করে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, যারা দেশকে দুর্নীতিতে টানা পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন বানিয়েছিল, সেই বিএনপির দুর্নীতি নিয়ে প্রশ্ন তোলার অধিকার নেই। তারা বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে বাংলাদেশকে লজ্জিত করেছিল। দুর্নীতিকে কঠোর হস্তে দমন করতে সরকার কাজ করছে।

তিনি বলেন, বিএনপির নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নিজে কালো টাকা সাদা করেছেন। তাদের অর্থমন্ত্রীও কালো টাকা সাদা করেছিলেন। তারেক রহমানের দুর্নীতির বিরুদ্ধে এফবিআই এসে বাংলাদেশে সাক্ষ্য দিয়ে গেছে। যে কারণে তার ১০ বছর সাজা হয়েছে। আরাফাত রহমানের দুর্নীতি সিঙ্গাপুরে ধরা পড়েছে। তাদের পুরো রাজনৈতিক নেতৃত্ব যেখানে দুর্নীতিতে আকুণ্ঠ নিমজ্জিত ছিল, সেটির সঙ্গে বালিশ আর পর্দা দুর্নীতির কোন তুলনা হয় না।

শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামে রবি-দৃষ্টি বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউটে দেশে উন্নতি নয় বরং দুর্নীতির মহোৎসব চলছে বিএনপির এমন অভিযোগের ব্যাপারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

দৃষ্টির সভাপতি মাসুদ বকুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন রবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহতাব উদ্দিন আহমেদ, ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির সদস্য সাফিয়া গাজী রহমান, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য শামসুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, কর্ণফুলি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামসুদ্দিন তাবরীজ প্রমুখ।

ড. হাছান বলেন, বালিশ কিংবা পর্দা দুর্নীতি ঘটেছে কিছু কর্মকর্তার মাধ্যমে। এখানে কোন রাজনৈতিক বা জনপ্রতিনিধির সংশ্লিষ্টতা নেই। এই দুটি দুর্নীতির ব্যাপারেই সরকার অত্যন্ত কঠোর। প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির ব্যাপারে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছেন। বালিশ দুর্নীতির সঙ্গে যারা যুক্ত ছিল তাদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পর্দা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অবশ্যই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি তারা পাবে।

সরকার কূটনৈতিকভাবে ব্যর্থ হওয়ার কারণে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান হচ্ছে না বলে বিএনপির অভিযোগ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ড. হাছান বলেন, সৌদি আরবে লক্ষাধিক রোহিঙ্গা আছে যারা বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিয়ে বাংলাদেশি পরিচয়ে সেখানে বসবাস করছে। সেখানে তারা সমস্ত অপকর্মের সঙ্গে যুক্ত। তাদের জন্য বাঙালিদের বদনাম হচ্ছে। বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন হাজার হাজার রোহিঙ্গা সৌদি আরব গিয়েছিল তখন বিএনপিই রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি পাসপোর্ট দিয়েছিল।

তিনি বলেন, সরকার কূটনৈতিকভাবেই রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানের জন্য কাজ করছে। সহসাই এই সমস্যার সমাধান হবে। নিজ দেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে রোহিঙ্গাদের প্রচেষ্টা আছে বাংলাদেশি জনগোষ্ঠির সঙ্গে মিশে যাওয়ার জন্য। তাদের পাসপোর্ট তৈরিসহ নানাভাবে যারা সহযোগিতা করছে তাদের কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

জাতীয় সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টিতে অস্থিরতা চলছে এ ব্যাপারে সরকারের ভূমিকা কি হবে এক সাংবাদিকের প্রশ্নে তথ্যমন্ত্রী বলেন, জাতীয় পার্টির সমস্যাটি তাদের দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়। আমি আশা করব জাতীয় পার্টির যে সাময়িক মতপার্থক্য ও সংকট সেটি কাটিয়ে উঠবে। সহসাই তারা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে।

এর আগে তথ্যমন্ত্রী রবি-দৃষ্টি বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে বলেন, গণতান্ত্রিক সমাজে অন্যতম প্রধান অনুসঙ্গ হচ্ছে বিতর্ক। বিতর্ক ছাড়া গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। যুক্তিতর্কের মাধ্যমেই সমাজ এগিয়ে যেতে পারে সে কারণে বিতর্কের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। একটি গণতান্ত্রিক ন্যায় ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্টা করার ক্ষেত্রে বিতর্কের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। বিতর্ক ছাড়া গণতান্ত্রিক সমাজ ঠিকতে পারেনা।

বিতার্কিকদের ড. হাছান বলেন, জীবন মানে সংগ্রাম, জীবন মানে যুদ্ধক্ষেত্র। যুদ্ধক্ষেত্রে যেমন প্রতিপক্ষের আক্রমণে সহযোদ্ধার মৃত্যুতে তুমি এক পলক থাকাতে পারবে কিন্তু থমকে যেতে পারবে না, যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হয় অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য, জীবনযুদ্ধও সেরকম। জীবন চলার পথে মাথার উপর থেকে অনেক আচ্ছাদন হারিয়ে যাবে। তাতে থমকে গেলে চলবে না। জীবন যুদ্ধে জয়ী হতে হলে স্বপ্ন দেখতে হবে। যার স্বপ্ন নেই তার স্বপ্ন পূরণের তাগাদাও নেই। সবাইকে স্বপ্ন দেখতে হবে। স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছার জন্য জীবনটাকে যুদ্ধক্ষেত্রের মতো নিয়ে লড়াই করতে হবে। পারার প্রতিজ্ঞা যার মাঝে থাকবে তার সাথে প্রচেষ্টা যুক্ত করবে তার অনেক স্বপ্ন পূরণ হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০২১
Design and Developed by IT Craft in association with INTENT