শিরোনাম :
লিটারে ৪ টাকা বেড়েছে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বিএনপি নির্বাচন ও গণতন্ত্রবিরোধী অবস্থান নিয়েছে: কাদের গরমে বারবার গোসল করছেন? জেনি নিন কী হচ্ছে শরীরের বাংলাদেশে বিক্রি করা নেসলের শিশুখাদ্য সেরেলাক নিয়ে ভয়ংকর তথ্য শুক্রবার শিল্পী সমিতির নির্বাচন, কার বিপক্ষে কে লড়ছেন বিএনপির চিন্তাধারা ছিল অন্যের কাছে হাত পেতে চলবো: প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমারে বিদ্রোহী-নিয়ন্ত্রিত শহরে কোণঠাসা জান্তা আইপিএল থেকে ডাক পেয়েও যে কারণে যেতে পারেননি শরিফুল সুন্দরবন সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী ও স্থানীয় সুধী সমাজের সাথে জনসচেতনতা মূলক মতবিনিময় ১১০০ কোটি টাকার প্রকল্পে কলা-রুটি বাবদ ব্যয় হবে ৪৫০ কোটি

দুর্যোগ সহনীয় ঘর পাচ্ছেন ১১ হাজার গৃহহীন

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১২ অক্টোবর, ২০১৯
  • ১৪০

গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) ও কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিটা) কর্মসূটির বিশেষ বরাদ্দের অর্থ দিয়ে তৈরি গৃহহীন মানুষের জন্য ১১ হাজার ২৭৩টি দুর্যোগ সহনীয় ঘর উদ্বোধন হবে রোববার (১৩ অক্টোবর)।

আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসে সকাল সাড়ে ১০টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আশ্রয়কেন্দ্রগুলো উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়ার জন্য মন্ত্রণালয় থেকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের মহাপরিচালকের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয়ভাবে টিভিতে সম্প্রচার অনুষ্ঠান দেখে দুর্যোগ সহনীয় ১১ হাজার ২৭৩টি বাসগৃহের নামফলক উন্মোচন করার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সব জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। ঘরের নামফলকে লেখা থাকবে, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদান/টিআর-কাবিটা কর্মসূচির আওতায় দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।’

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, আগামী পাঁচ বছরে টিআর ও কাবিটার বিশেষ বরাদ্দের তিন হাজার কোটি টাকা দিয়ে দরিদ্রদের এক লাখ ২৫ হাজার নতুন ঘর তৈরি করে দেবে সরকার। কোন কোন শর্তে ঘর দেয়া হবে সে জন্য একটি নির্দেশিকাও করেছে মন্ত্রণালয়।

প্রথম পর্যায়ে এ বছরের জুনের মধ্যে প্রতি জেলায় গড়ে প্রায় ১৮৭টি করে ৬৪ জেলায় ১১ হাজার ৪০৬টি নতুন ঘর নির্মাণ করে দেয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। সেখানে ১১ হাজার ২৭৩টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৫০০ বর্গফুটের প্রতিটি ঘরে থাকবে দুটি কক্ষ, একটি করিডোর, একটি বাথরুম ও একটি রান্নাঘর। দুর্যোগ সহনীয় এসব ঘর হবে টেকসই এবং প্রতিটি ঘরেই থাকবে সোলার সিস্টেম আর বজ্রপাত নিরোধক ব্যবস্থা। প্রতিটি ঘর নির্মাণে ব্যয় হয়েছে দুই লাখ ৫৮ হাজার টাকা।

নির্দেশিকা অনুসরণ করে ডিসিসহ সংশ্লিষ্টরা সুবিধাভোগীদের নির্বাচন করেছেন। কারও এক বা দুই শতাংশ জায়গা আছে কিন্তু ঘর নেই বা ঘর আছে কিন্তু তা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। তাদের এই ঘর দেয়া হচ্ছে। এছাড়া যে পরিবারে পুরুষ সদস্য নেই বা পুরুষ সদস্য আছে কিন্তু তার বয়স ৬৫ বছরের ওপর; নদীভাঙনে যারা ঘরবাড়ি হারিয়েছেন, এছাড়া বেদে ও হিজড়াদের জন্য এসব ঘর দেয়া হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০২১
Design and Developed by IT Craft in association with INTENT