শিরোনাম :
স্বর্ণ ছিনতাইয়ের নেতৃত্বে র‍্যাব কর্মকর্তা, গোয়ালঘরের মাটি খুঁড়ে ৪৮ ভরি উদ্ধার কওমি মাদ্রাসায় ছাত্রলীগকে সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর সাতক্ষীরায় ‘জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও সংকট সমাধানের উপায়’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপ দেবহাটায় বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল দেবহাটায় ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে ঢেউটিন বিতরণ ইসরায়েলের সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে দফায় দফায় রকেট হামলা বিচারের আগেই কেন লোহার খাঁচায় দাঁড়াতে হবে: ড. ইউনূস দেবহাটায় দুর্নীতি প্রতিরোধ ও সচেতনতা বিষয়ক র‌্যালি দেবহাটায় প্রধান শিক্ষকদের লিডারশীপ প্রশিক্ষণ ১৫২ কোটি টাকা সুদ মওকুফ: সাবেক ভ্যাট কমিশনারের বিরুদ্ধে মামলা

যুদ্ধাপরাধে আসামী ফিরোজ খাঁ’র মামলার রায় কাল

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৯
  • ১৪৪

মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ তথা যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত মামলায় রাজশাহীর পুঠিয়ার মো. আব্দুস সামাদ (মুসা) ওরফে ফিরোজ খাঁ’র মামলার রায় মঙ্গলবার দেয়া হবে।
এর আগে গত ৮ জুলাই এ মামলায় প্রসিকিউশন ও আসমিপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল

মামলাটি রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রেখে (সিএভি) আদেশ দেয়। এটি হবে মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ৩৯ তম রায়।
প্রসিকিউশনের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন প্রসিকিউটর ঋষিকেশ সাহা ও জাহিদ ইমাম। আসামি পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আব্দুস সাত্তার পালোয়ান।

আসামির বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাসহ (আইও) প্রসিকিউশনের ১৫ জন সাক্ষী তাদের জবানবন্দি পেশ করেন। অন্যদিকে আসামির পক্ষে কোনো সাফাই (ডিফেন্স) সাক্ষী ছিল না।
প্রসিকিউটর জাহিদ ইমাম সাংবাদিকদের বলেন, চলতি বছরের ১৪ এপ্রিল এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার জেরা শেষ হয়। এরপর গত ৪ জুলাই যুক্তিতর্ক শুরু হয়ে ৮ জুলাই শেষ হয়। ওইদিন মামলাটির রায় অপেক্ষমান রেখে ট্রাইব্যুনাল আদেশ দিয়েছিলেন। কাল রায়ের তারিখ ধার্য করা হয়েছে।

রাজশাহীর পুঠিয়ার বাঁশবাড়ী এলাকার মৃত আব্বাস আলীর ছেলে মো.আব্দুস সামাদ (মুসা) ওরফে ফিরোজ খাঁ মুক্তিযুদ্ধের আগে মুসলিম লীগের সমর্থক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় জামায়াতে ইসলামীর সমর্থক হিসেবে শান্তি কমিটির স্থানীয় নেতার নেতৃত্বে মানবতাবিরোধী অপরাধ করেন। আসামির বিরুদ্ধে মামলায় মুক্তিযুদ্ধকালে চারজন সাঁওতালসহ ১৫ জনকে হত্যা, ২১ জনকে নির্যাতন, ৮ থেকে ১০টি বাড়িঘর লুণ্ঠন এবং ৫০ থেকে ৬০টি বাড়িঘর অগ্নিসংযোগ করে ধ্বংসের অভিযোগ আনা হয়। এ মামলায় ২০১৭ সালে ২৪ জানুয়ারি ফিরোজ খাঁ’কে গ্রেফতার করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০২১
Design and Developed by IT Craft in association with INTENT