স্বাস্থ্য বিভাগের যন্ত্রপাতি ক্রয়ের নামে অর্থ লোপাটের মামলায় সাতক্ষীরার সাবেক সিভিল সার্জন কারাগারে

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ১৭৪
সাবেক সিভিল সার্জন ডা. তৌাহদুর রহমান

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের যন্ত্রপাতি ক্রয়ের নামে ১৬ কোটি ৬১ লাখ টাকা লোপাটের মামলায় সাবেক সিভিল সার্জন ডা. তৌাহদুর রহমানকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। আজ সোমবার তিনি সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালতের বিচারক শেখ মফিজুর রহমান তার জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে তিনি গত ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ আদালতের জামিনে ছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হলে তিনি আজ নি¤œ আদালতে জামিন নিতে গেলে আদালত তার জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

জানা গেছে, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালসহ জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের ১৬ কোটি টাকা ৬১ লাখ টাকার মালামাল ক্রয়ে দুর্নীতির ঘটনায় ‘নাগরিক আন্দোলন মঞ্চ, সাতক্ষীরা’ আন্দোলন শুরু করে। এ নিয়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

এরপর এ ঘটনার দীর্ঘ তদন্ত শেষে দুদক প্রধান কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক জালালউদ্দিন বাদি হয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) খুলনা জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের পক্ষে তৎকালীন সিভিল সার্জন ডা. তৌহিদুর রহমানসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।

এ মামলার অপর আসামিরা হলেন, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের তৎকালীন স্টোর কিপার একেএম ফজলুল হক, হিসাবরক্ষক আনোয়ার হোসেন, রাজধানীর ২৫/১ তোপখানা রোডের বেঙ্গল সায়েন্টেফিক অ্যান্ড সার্জিক্যাল কোম্পানির কর্ণধার ঠিকাদার মো. জাহের উদ্দিন সরকার। তার ছেলে মো. আহসান হাবিব। জাহের উদ্দিনের বাবা মার্কেন্টাইল ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের কর্ণধার হাজী আবদুস সাত্তার সরকার এবং তার ভগ্নিপতি ইউনিভার্সেল ট্রেড কর্পোরেশনের কর্ণধার মো. আসাদুর রহমান, জাহের উদ্দিন সরকারের নিয়োগকৃত প্রতিনিধি কাজী আবু বকর সিদ্দিক, মহাখালী নিমিউ অ্যান্ড টিসির সহকারী প্রকৌশলী এএইচএম আব্দুল কুদ্দুস।

এ মামলার আসামি হিসাবরক্ষক আনোয়ার হোসেন ইতিমধ্যে আত্মসমার্পণ করে জেল হাজতে রয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০২১
Design and Developed by IT Craft in association with INTENT